ধীরে ধীরে রাসুল (সাঃ) এর অনেক হাদিস আমরা ভুলেই যাচ্ছি!

ধীরে ধীরে রাসুল (সাঃ) এর অনেক হাদিস আমরা ভুলে যাচ্ছি নাতো? 

 ১। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।(সহীহ মুসলিম- ৮৯৮)
 ২। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা। (বুখারী- ৫২১১)
 ৩।বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।(সহীহ বুখারী- ১০৩২)
 ৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা।খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।(মুসলিম- ২০৬৪)
 ৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না। (বায়হাকী- ১৭৫৯৫)
 ৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা।আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা। (মুসলিম- ২৫৩১)
 ৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া। (মুখতাসার যাদুল মা' আদ- ১/২৭)
 ৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া। (বায়হাকি-৪২৮)
 ৯। নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া। (বুখারী- ৭৩১)
 ১০। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। (মুসনাদে বাযযার- ৮৫৬৭)
 ১১। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতা না পরা।বিশেষ করে শু জুতা ( স্যান্ডেল না)।(আবু দাউদ- ৪১৩৫)
 ১২। যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া।(তিরমিযী- ২৪৭৮)
 ১৩। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।(আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯)
 ১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।(মুসনাদে আহমাদ- ২১৬১৮)
 ১৫। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।(তাবরানী- ৬১৩৯)
 ১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া। (মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮)
 ১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।(ফাতহুল বারি- ১১/১১০)
 ১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।(আবু দাউদ- ৪১৬০)
 ১৯।যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে। (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)
 ২০।যে মানুষের উপকার করে, সেই সবচেয়ে ভালো মানুষ। (সুনানে দারাকুতনি)
 ২১।রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ
 আমি টেক(হেলান) লাগানো অবস্থায় কোনো কিছু ভক্ষণ করি না। (বুখারি, হাদিস নং: ৫১৯০)

কোন মন্তব্য নেই

luoman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.