হযরত উমরের শাহাদাত এবং নামাজের গুরুত্ব।

 


হযরত উমরের শাহাদাত এবং নামাজের গুরুত্ব


আমাদের রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, "তোমাদের মাঝে কেউ যদি মদিনাতে মারা যেতে পারে সে যেন মদিনাতে মারা যায়। কারণ, আমি শেষ বিচারের দিন তার জন্য সুপারিশ করবো।" 


তাই, হযরত ওমর (রা) আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন- "ও আল্লাহ! আমাকে শহীদি মৃত্যু দান করুন এবং ও আল্লাহ! আমাকে রাসূলুল্লাহর শহর মদিনাতে মৃত্যু দান করুন।" এ দোয়া শুনে তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ (রা) বলেন- ইয়া আবাতা! ও আমার প্রিয় বাবা! এ দুইটি দোয়া কীভাবে একসাথে ঘটবে? 


আব্দুল্লাহ (রা) এর এটা বলার কারন হল, সে সময় যদি শহীদি মৃত্যু চাইতেন আপনাকে কোথায় যেতে হতো? যুদ্ধের ময়দানে। যে যুদ্ধগুলো সংঘটিত হচ্ছিল রোমান এবং পারস্য সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে মদিনা থেকে শত শত মাইল দূরে। তৎকালীন মদিনা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ শহর। তাই, আব্দুল্লাহ (রা) বুঝতে পারছিলেন না যে এ দুইটি দোয়া কীভাবে একত্রে  বাস্তবায়িত হবে। কীভাবে তিনি মদিনাতে শহিদ হবেন। উত্তরে হযরত ওমর বলেন- "আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।" সবকিছুই সম্ভব।  


মুগিরা ইবনে শু'বা (রা) এর দাস আবু লু'লু আল-মাজুসি হযরত ওমর (রা) কে হত্যা করেন। কারো কারো মতে তার নাম ছিল ফাইরুজ বা ফিরোজ। আমরা তার সম্পর্কে খুবই অল্প জানি। তার সম্পর্কে যা জানা যায় তা হলো- সে নতুন বিজিত অঞ্চল পারস্য থেকে মদিনায় আগমন করে। সে ছিল তৎকালীন ইরানীয় জরাথুস্ট্র ধর্মের অনুসারী।

 

কে এই মুগিরা (রা) এবং আবু লু'লু আল-মাজুসি?

হযরত উমর (রা)-এর হত্যাকাণ্ডের ইতিহাসের সাথে এই দুই ব্যক্তির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঘটনার প্রেক্ষাপটে তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে দেওয়া হলো: 

১. মুগিরা (রা) বা মুগিরা ইবনে শু’বা

মুগিরা ইবনে শু’বা (রা) ছিলেন ইসলামের একজন বিশিষ্ট সাহাবী এবং একজন ঝানু রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ।


পরিচয়: তিনি কুরাইশ বংশের শাখা বনু সাকিফ গোত্রের লোক ছিলেন। তিনি হুদাইবিয়ার সন্ধির আগে ইসলাম গ্রহণ করেন।


তার ভূমিকা: হযরত উমর (রা)-এর শাসনামলে তিনি কুফার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


ঘটনার প্রেক্ষাপট: আবু লু’লু ছিল মুগিরা (রা)-এর একজন পারসিক ক্রীতদাস। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী কোনো অনারব বা যুদ্ধবন্দীকে মদিনায় স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি দেওয়া হতো না। কিন্তু আবু লু’লু কাঠমিস্ত্রি, কর্মকার এবং চিত্রাঙ্কনে দক্ষ হওয়ায় মুগিরা (রা) খলিফা উমর (রা)-এর কাছে তাকে মদিনায় রাখার বিশেষ অনুমতি চেয়েছিলেন যাতে মদিনাবাসী তার কারিগরি দক্ষতা থেকে উপকৃত হতে পারে।


২. আবু লু’লু বা ফিরোজ

আবু লু’লু (আসল নাম ফিরোজ) ছিল ইসলামের ইতিহাসে খলিফা উমর (রা)-এর হত্যাকারী।


তার পরিচয়: সে ছিল পারস্যের (বর্তমান ইরান) অধিবাসী। নিহাওয়ান্দের যুদ্ধে সে মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয় এবং পরবর্তীতে মুগিরা (রা)-এর দাসে পরিণত হয়।


দক্ষতা: সে ছিল অত্যন্ত দক্ষ কারিগর। বিশেষ করে যাতা বা চাকি (Windmill) তৈরিতে তার বিশেষ খ্যাতি ছিল।


উমর (রা)-এর সাথে বিরোধ: সে খলিফার কাছে এসে অভিযোগ করেছিল যে মুগিরা (রা) তার ওপর অতিরিক্ত কর (খিরাজ) ধার্য করেছেন। খলিফা বিষয়টি খতিয়ে দেখে জানান যে তার দক্ষতার তুলনায় এই কর বেশি নয়। এতে সে ক্ষুব্ধ হয়। এছাড়াও সম্ভবত ওমর (রা) যেহেতু তার দেশ পারস্য জয়লাভ করেছেন তাই সে প্রতিশোধ নিতে এ হত্যাকাণ্ড চালায়।


মূল আলোচনাই আসশা যাক,হযরত ওমরের নিয়ম ছিল নতুন বিজিত অঞ্চলের কেউ মদিনায় বাস করতে পারবে না। 

তবে, অনেক সময় কোনো মুসলিম কারো জন্য(ভিসার আবেদন করলে) অনুমতি চাইলে খলিফা অস্থায়ীভাবে তা প্রদান করতেন। 

সে রকম একটি ব্যতিক্রম ছিল আবু লু'লু আল-মাজুসি। মুগিরা (রা)  হযরত ওমরের কাছে এসে বলেন, আবু লু'লু একজন দক্ষ মিস্ত্রি। আমি তাকে মদিনায় রাখতে চাই। খলিফা তখন অনুমতি প্রদান করেন।


যাইহোক, আবু লু'লু খলিফাকে হত্যা করার দুরভিসন্ধি করে। 

তো, সে ফজরের নামাজের সময় আক্রমণ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কেন ফজর? সম্ভবত ভোরের আবছা অন্ধকারে তার জন্য এ কাজ করতে সুবিধা হবে ভেবে। সে তার ছুরিতে বিষ প্রয়োগ করে নেয়। যেন সামান্য আঘাতেই মৃত্যু হয়। 


তো, একদিন ফজরের সময় সে বিষ মিশ্রিত ছুরিটি নিয়ে মসজিদের ভেতর লুকিয়ে থাকে। খলিফা ওমর যখন দ্বিতীয় রাকাত শেষ করে মাত্র রুকুতে যাবেন... বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি দ্বিতীয় রাকাতে সূরা আহযাবের কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন। তিনি সর্বশেষ এ আয়াতটি তিলাওয়াত করেন- وَ کَانَ اَمۡرُ اللّٰهِ قَدَرًا مَّقۡدُوۡرَۨا- আর আল্লাহর বিধান সুনির্ধারিত, অবশ্যম্ভাবী। (৩৩:৩৮) অর্থাৎ, আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা অবশ্যই ঘটবে। এ আয়াত তিলাওয়াত করে রুকুতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে আবু লু'লু অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে হযরত ওমরকে আক্রমণ করে বসে। একটি ছুরির আঘাত সামনের দিকে, একটি পেছন দিকে এবং একটি আঘাত তলপেটে। তলপেটের আঘাতটিই ছিল প্রাণনাশক আঘাত। 


হজরত ওমর তখন চিৎকার করে বলে উঠেন, অগ্নিপূজক আমাকে আক্রমণ করেছে।  অন্য ভার্সনে এসেছে, তিনি বলে উঠেন, কুকুরটা আমাকে আক্রমণ করেছে। 


সবাই কিছু বুঝে উঠার আগেই আবু লু'লু সাথে সাথে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।  যাওয়ার সময় সে এলোপাতাড়ি সবাইকে ছুরিকাঘাত করতে থাকে। ছুরিতে বিষ থাকায় তার ছুরিকাঘাতে আরো সাতজন মুসলিমের মৃত্যু হয়। 

শেষ পর্যন্ত সে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে সাহাবীদের ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়ে যায়। একজন সাহাবী তার জামা খুলে আবু লু'লুর চেহারায় নিক্ষেপ করেন। ফলে চোখ মুখ ঢাকা পড়ে যায় এবং সে কিছুই দেখতে পারছিলো না। তখন অন্যান্য সাহাবারা তাকে ধরাশায়ী করে ফেলেন। 


আবু লু'লু যখন বুঝতে পারলো যে তার পক্ষে পালিয়ে যাওয়া সম্ভ নয়, তখন সে তার নিজের ছুরি দিয়ে নিজের বুকে আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয়। তো, সে আত্মহত্যা করে। 


এদিকে লোকজন ওমর (রা)কে আহত অবস্থায় তুলে তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহর বাড়িতে নিয়ে যায়।  সম্ভবত, ওমরের নিজের বাড়ির চেয়ে আব্দুল্লাহর বাড়ি মসজিদের নিকটে ছিল, এই কারণে। 


অন্যান্য সাহাবারা তাড়াতাড়ি নামাজ শেষ করলেন। এতে প্রমাণিত হয়, পরিস্থিতি যাই হোক, পরিস্থিতি থেমে গেলে নামাজ শেষ করে নিতে হবে। 


ওমর (রা) বেহুঁশ হয়ে পড়েন। তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ 'ইয়া আবাতা'  'ইয়া আবাতা' বলে কাঁদছিলেন। সূর্য উঠে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে ওমরের হুঁশ ফিরে আসে। হুঁশ ফিরে আসার পরে তিনি দেখলেন চারদিকে থেকে লোকজন তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাঁর শরীর রক্তে রঞ্জিত। 


তখন প্রথম যে প্রশ্নটি তাঁর মুখ থেকে বের হয় তা হলো- মানুষ কি নামাজ শেষ করেছে? উত্তরে তাঁরা বললেন- হ্যাঁ। মানুষ তাদের নামাজ শেষ করেছে। ওমর তখন বলেন- "আলহামদুলিল্লাহ। যে নামাজ পরিত্যাগ করেছে ইসলামে তার কোনো অংশ নেই।" 


এরপর আব্দুল্লাহকে বললেন- আমার জন্য পানি নিয়ে এসো। আব্দুল্লাহ ভেবেছিলেন তিনি হয়তো পানি পান করবেন। কিন্তু, না, তিনি ওযু করার জন্যে পানি চেয়েছেন। তিনি তো তাঁর ফজরের নামাজ শেষ করতে পারেননি। এটাই তাঁর একমাত্র চিন্তা এখন। 


দেখুন, এমন পরিস্থিতিতে এ ধরণের চিন্তা শুধু একজন মুত্তাকী, একজন মুমিনের  মাথাতেই আসতে পারে। তো, প্রথম যে কাজটি তিনি করলেন তিনি তাঁর ফজরের নামাজ শেষ করলেন। যদিও তাঁর শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। এখান থেকে ইসলামী আইনবিদরা বলেন, ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বন্ধ না হলে ঐটা আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। আপনি এ কারণে নামাজ পড়া বন্ধ করবেন না। 


ফজরের নামাজ আদায় করার পরে তিনি জিজ্ঞেস করেন- কে আমাকে ছুরিকাঘাত  করেছে? তারা বললো- অগ্নিপূজক দাস। তিনি জিজ্ঞেস করলেন- মুগীরা ইবনে শো'বার দাস? তারা বললো- হ্যাঁ। মুগীরার গোলাম। তখন তিনি বললেন- আলহামদুলিল্লাহ। যে আমাকে হত্যা করেছে সে কোনো মুসলিম নয়। (তিনি বুঝতে পেরেছেন যে এ আঘাতে তিনি মারা যাবেন।)


মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি বলেন- "আমি আমার মুখ মাটিতে রাখতে চাই।" তারা তাঁকে উঠালেন না। কিন্তু তিনি বলতেই থাকলেন। শেষে তাঁরা তাঁকে উঠিয়ে মাটিতে রাখেন। তিনি সেজদার মত করে তার মুখ মাটিতে রাখলেন। কারণ আহত অবস্থার কারণে তিনি পুরোপুরি সেজদা করতে পারছিলেন না। যেভাবে পারছিলেন তিনি তার মুখ মাটিতে ঠেকিয়ে বলতে লাগলেন- "আল্লাহ যদি আমাকে মাফ না করেন তাহলে আমার কোনো আশা নেই। আমার জন্য দুঃখ হয় যদি আল্লাহ আমাকে ক্ষমা না করেন।" তিনি কেঁদে কেঁদে বার বার আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে থাকলেন। এভাবে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে করতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 


এখন হয়তবা আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে মুগিরা ইবনে শু’বা (রা.) কি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত?


আসুন দেখি ইসলাম কি বলেঃ

ঐতিহাসিক তথ্য এবং ইসলামী স্কলারদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মুগিরা ইবনে শু’বা (রা) কোনোভাবেই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ইসলামের ইতিহাসে তাকে এই ঘটনার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে কখনও গণ্য করা হয়নি।


হযরত মুগিরা (রা) কেন এই দায় থেকে মুক্ত, তার পেছনে প্রধান কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:


১. মুগিরা (রা)-এর সাহাবী মর্যাদা

মুগিরা ইবনে শু’বা (রা) একজন জলীল কদর (উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন) সাহাবী ছিলেন। তিনি 'বাইয়াতে রিদওয়ান'-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। একজন নিষ্ঠাবান সাহাবী হিসেবে খলিফাকে হত্যার মতো জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়া ছিল অকল্পনীয়।


২. অনুমতির উদ্দেশ্য ছিল জনকল্যাণ

মুগিরা (রা) যখন আবু লু'লুকে মদিনায় রাখার অনুমতি চেয়েছিলেন, তার উদ্দেশ্য ছিল কেবল জনকল্যাণ। মদিনার মানুষ তখন যাতা বা বায়ুকলের (Windmill) মতো নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত ছিল না। আবু লু'লু এসব কাজে দক্ষ ছিল বলে তিনি চেয়েছিলেন মদিনাবাসী তার থেকে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করুক। এটি ছিল একটি প্রশাসনিক সুপারিশ মাত্র।


৩. কর নির্ধারণ নিয়ে অসন্তোষ

ইতিহাসের বর্ণনা অনুযায়ী, আবু লু'লু খলিফা উমর (রা)-এর ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিল কারণ খলিফা তার ওপর নির্ধারিত কর (খিরাজ) কমানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। যদি মুগিরা (রা) তার সাথে ষড়যন্ত্রে থাকতেন, তবে তিনি নিজেই তার দাসের কর কমিয়ে আবু লু'লুকে সন্তুষ্ট রাখতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি।


৪. খলিফার প্রতি আনুগত্য

মুগিরা (রা) উমর (রা)-এর অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং দক্ষ গভর্নর ছিলেন। তাদের মধ্যে গভীর আস্থার সম্পর্ক ছিল। খলিফার শাহাদাতের পর কোনো তদন্তে বা পরবর্তী খলিফাদের আমলে মুগিরা (রা)-এর ওপর বিন্দুমাত্র সন্দেহ পোষণ করা হয়নি। বরং তিনি পরবর্তী সময়েও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন।


৫. ব্যক্তিগত শত্রুতার অভাব

হযরত উমর (রা) এবং মুগিরা (রা)-এর মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না। আবু লু'লু যখন খলিফাকে আঘাত করে, তখন সে কেবল উমর (রা)-কেই নয়, বরং আরও অনেক নামাজি সাহাবীকে আহত ও শহীদ করেছিল। একজন মুসলিম এবং সাহাবী হিসেবে এমন নৃশংসতায় ইন্ধন দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব ছিল।


উপসংহার:

ইসলামী ইতিহাসবিদদের মতে, আবু লু'লু ব্যক্তিগত ক্ষোভ এবং পারস্য সাম্রাজ্যের পতনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। মুগিরা (রা) তাকে মদিনায় নিয়ে এসেছিলেন একটি সাধারণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায়, যার পরিণতি কী হবে তা কারোরই জানার কথা ছিল না। তাই তাকে এই ঘটনার সাথে যুক্ত করা ঐতিহাসিকভাবে ভুল।


কোন মন্তব্য নেই

luoman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.