একজন ইহুদি ইমাম ও সালাউদ্দিন আইয়্যুবী

 

একজন ইহুদি ইমাম ও  সালাউদ্দিন আইয়্যুবী .

ইহুদিদের বিষয়ে একটা কথা মনে রাখবেন,

৭হাত পানির নিচে দুটি মাছ জগড়া করে৷৷

বুঝবে সেখানেও ইহুদীদের হাত আছে৷৷
(গাজী সালাউদ্দিন আইয়্যুবী রহঃ)
সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. বাইতুল মুকাদ্দাস জয় করার পরে সবাই যখন বিজয় উৎসব পালনে ব্যাস্ত, তখন সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. গভীর চিন্তায় নিমগ্ন।
তার চিন্তার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন যে, বাইতুল মুকাদ্দাস জয় হয়েছে ,কিন্তু এখনও এমন শত্রু আমাদের মাঝে রয়ে গেছে ৷৷যাদেরকে খুঁজে বের করতে না পারলে বাইতুল মুকাদ্দাস আমরা বেশিদিন আমাদের কাছে রাখতে পারবোনা।
সরলমনা একজন বল্লো ৷৷কাউকে সন্দেহ করা
হারাম সূরা হুজরাতের ১২নং আয়াতে৷৷সালাউদ্দিন
ঐলোকের দিকে তাকিয়ে বল্লেন৷৷৷তাতো কিছু সন্দেহ
সব নয়৷৷ তোমার মত কোরান বুঝলে ইহুদী ষড়যন্ত্রের
দরকার কি??  
তারপর সালাউদ্দিন বার বার পায়চারি করে একই
কথা বলতে লাগলেন৷৷৷৷
কিন্তু,,তার কথার প্রয়োজনীয়তা কেউ অনুভব করলো না। সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেনাদের নিয়ে খুবই গোপনে নতুন একটি গোয়েন্দা বিভাগ গঠন করলেন। যাদেরকে আটককৃত ইহুদীদের গোয়েন্দা বিভাগের সেনাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে ট্রেনিং দিলেন।
ফিলিস্তিনে এক ইমামের প্রশংসায় ভরপুর। ইসলামী স্কলার, শায়েখ এবং অত্যন্ত আমলদার ও পরহেজগার হিসেবে তার সুখ্যাতি পুরো ফিলিস্তিন জুড়ে। একদিন তিনি তাফসীরের আলোচনা করছিলেন তার মসজিদে। এ সময় দুইজন অপরিচিত আগন্তুক আসলো। তারাও খুব গভীর মনোযোগ দিয়ে তার তাফসীর আলোচনা শুনলো।
আলোচনা শেষে তারা ইমামের সামনে গিয়ে প্রশ্ন করলো, সূর্য কখন উঠে? ইমাম জবাব দিল, যখন বৃষ্টি থেমে যায়। অপরিতিত আগন্তুক আবার প্রশ্ন করলো যে, বৃষ্টি কোন দিক থেকে আসে? ইমাম উত্তর দিল, ঝড়ো হাওয়ার দিক থেকে। এভাবে আরো কয়েকটি প্রশ্ন এবং তার উত্তর।
উপস্থিত মুসল্লিরা এগুলো বুঝলো না। তারা চলে যাওয়ার পর ইমাম সাহেব আগন্তুকদের নিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করলেন। ঘরে গিয়ে ইমাম তাদের সাথে তার নিজের পরিচয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। ইমামের স্ত্রী আগন্তুকদের মারহাবা পরিবেশন করতে লাগলেন। 
আগন্তুকরা ইমামের সাথে বিস্তারিত কথা বলা শুরু করলো। ইমাম কবে থেকে এখানে, মানুষের মধ্যে কি কি ফিৎনা ছড়িয়েছে,??ছোট খাট মাসলা বলে, মানুষের ঈমানের মধ্যে চিড় ধরাতে কতটুকু সক্ষম হয়েছে?? ইত্যাদি বিষয়ে কথা হতে লাগলো।
ইমামও অত্যন্ত আগ্রহের সাথে কিভাবে মানুষের মাঝে ফিৎনা তৈরী করেছে, কিভাবে ছোট খাট সুন্নাত নফলের,,,মাসআলাগত বিরোধ লাগাচ্ছে, কিভাবে এর মাঝেও ইহুদী পন্ডিতের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছে, কিভাবে মানুষকে জিহাদের নামে জঙ্গীবাদ মুখী করছে,?? কিভাবে মুসলিম জাতিকে বিজ্ঞান শিখা
থেকে গাফেল করে৷৷৷শুধু হিফজুল কোরান নফল ইবাদাত জিকির বাকা বিল্লাহ ,ফানা ফিল্লার মুরাকাবার ভ্রান্ত সূফীবাদ মুসলিমদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে৷৷
কিভাবে কোরানের সর্বশেষ নস সূরা নূর৩৩,বোখারী 
৫০৬৫বাদ দিয়ে ৷৷৷৷আগের রহিত নস দিয়ে জেনা 
বন্ধের নামে ঢালাউ ভাবে বাল্য বিয়ে ,দারিদ্র বিয়ের
উসকানী দিয়ে ৷৷৷মুসলিম সমাজে দারিদ্রতা মূর্খতা সৃষ্টি
করা হয়েছে৷৷৷
মুসলিম যুবসমাজকে নারী লোভি বানানো হয়েছে,৷৷
কঠোর পর্দার ওয়াজ করে, মুসলিম নারী শিক্ষার প্রতি অবহেলা,বেকারত্ব,সৃষ্টি করা হয়েছে৷৷৷
পরে খৃস্টানদের টাকা দিয়ে খৃস্টান নাস্তিক বানানো হয়েছে৷৷
কিভাবে নবী ওলীর প্রেমের নামে কবর পূঁজা,মাজার
পূঁজা চালু করেছে??? কিভাবে ৪ মাজহাব মানা হারাম করে ঘরে ঘরে বহুমূখী মাজহাব বানিয়ে ফেতনা করেছে৷৷৷সব বলতে লাগলো।৷৷৷৷
মোটামুটি প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পরে আগন্তুকরা তাদের মাথার পাগড়ি খুললো এবং উপরের জামা খুললো। এটা দেখে ইমাম এবার ভয়ে পালাতে চাইলো কারণ এই আগন্তুকরা ছিল হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. এর সেই গোয়েন্দা বিভাগের সেনা। তারা তাকে ধরে নিয়ে গেল এবং তাকে হত্যা করলো।
এভাবে হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. ৩ হাজার ইহুদী আলেম হত্যা করেছিল। যারা মূলত ইহুদী কিন্তু ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষের মধ্যে ফিৎনা ছড়ানোই ছিল তাদের মূল কাজ।
যদি হাজার বছর পূর্বে ইসলামী খেলাফতে ৩ হাজার ইমাম থাকতে পারে, তাহলে বর্তমানে কেমন রয়েছে তা একটু অনুমান করুন। আমাদের দেশেও এমন কিছু আলেমকে আমরা দেখতে পাই, যারা ইসরাঈলের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে না, মানব বন্ধন না করে ঘরে বসে গাজাবাসীকে পূর্ব মুসলিম দেশ হিজরত করতে
বলে৷৷৷কিন্তু ইহুদী কোম্পানী ইউনি লিবার ,পেপসি ,সেবেনাফ, লাক্সের ,বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়না৷৷ , ঈসরাইলের ব্যাপারে একেবারেই কোন কথা যাদের মুখ থেকে বের হয় না। এমন আলেম আমাদের দেশেও আনাচে কানাছে রয়েছে। 
কেউ মিলাদী রেজাখানী মাজার পূঁজারী, কেউ লা মাজহাবা সালাফী নামে৷
সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হন হে মুসলিম ভাইয়েরা।


কোন মন্তব্য নেই

luoman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.